জেনে নিন, BPSC আওতাধীন নার্সিং পরীক্ষা বাতিলের নেপথ্যে ঘটনা

গত ৬/৯/২০১৭ ইং সকাল ১০ ঘটিকায় পিএসসির অধীনে সিনিয়র স্টাফ নার্স পরিক্ষার এমসিকিউ টাইপের পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত পরিক্ষায় প্রায় ১৬,৯০০ জন পরিক্ষার্থী উপস্থিত হন।দুঃখের বিষয় হলো প্রশ্নফাস সংক্রান্ত জটিলতার কারনে উক্ত পরিক্ষাটি বাতিল বলে ঘোষনা করেন পি এস সি।যেখানে আমরা সকলেই জানি কর্মকমিশন সব সময় দুর্নীতিমুক্ত থাকে সেখানে এই স্পর্ষকাতর বিষয়টি কে ঘটালো।এ সংক্রান্ত ব্যাপারে হয়ত পিএসসি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করতে পারে।কিন্তু তাতে সুস্পষ্ট রেজাল্ট নাও আসতে পারে। এখন আসি নম্বরপত্র নিয়ে।মোট পরিক্ষা ১০০মার্কের।পাশ মার্ক মোটামুটি ৪০।পরিক্ষা সহজ হওয়ার কারনে হয়ত একটা স্টুডেন্ট ৬০/৭০/৮৯/৮০+ পাবে।এটা স্বাভাবিক।কিন্তু একজন ছাত্র/ছাত্রী ৯৯/১০০ মার্কস যদি পায় এটা তখন স্বাভাবিক ভাবা যাবে না।এক হতে পারে সেই স্টুডেন্টটা অনেক মেধাবী,নয়তো সে কোন অসাধুপায় অবলম্বন করেছে। তাহলে এখন পিএসসি একটা কাজ করতে পারে,কতজন স্টুডেন্ট ৯৫+ মার্কস পাইছে তাদের একটা তালিকা করুক।তাদের নোটিশের মাধ্যমে একত্র করা হোক।তারা কিভাবে ৯৫+ পাইলো দেখবেন সেই তথ্য বের হয়ে আসবে।আর এই সব কিছুর মূল হোতা কে সে তাহলে সহযেই বের হয়ে আসবে।এটাই হতে পারে অপরাধীদের ধরার একটা কৌশল। আমরা কর্মকমিশনের উপর যদি পরিক্ষা দিয়ে আস্থাই রাখতে না পারলাম তা হলে কেন কর্মকমিশন বলে লেখাপড়া ও জ্ঞানচর্চা ভালোভাবে করে পরিক্ষায় অংশগ্রহন করতে?তাহলে কেন পিএসসি বলে চাকুরীর ক্ষেত্রে কোনপ্রকার তদবীরকারী অযোগ্য বলে বাতিল হবে? আমার ব্যাক্তিগত মতামত হলো যারা অসাধুপায় অবলম্বন করলো,যারা চাকুরী নেয়ার জন্য এই বানিজ্য খেলা খেললো,আর এই চক্রের যারা মূল হোতা তাদের আইডেন্টিফাই করে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হোক এবং পরীক্ষাটি পূনরায় নেয়া বা না নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত কর্মকমিশনের।

Reporter,

Md. Masud Rana.

Comments

comments